একজন প্রাক্তন আর এস এস এক্টিভিস্ট হিসেবে বিজেপি বন্ধুদের কাছে কিছু প্রশ্ন

 
— পর্ব ১ —
_______________________

অবশ্য আমার কথাগুলো বলছি যারা উত্তর দিতে চায়, তাদের কাছে। যারা কিছু পড়বেনা, ভাববেনা, আর খুন জখম হ্যাকিং ট্রোলিং রক্ত চাই এসব রাস্তায় যাবে, তাদের কাছে নয়।

আমি মনে করিনা, আর এস এস অথবা বিজেপি মানেই “রক্ত চাই”এর দল। আমি তাদের সেন্টিমেন্ট বুঝি। অন্ততঃ, দেশপ্রেম যে তাদেরও আছে, তা বুঝি। আশা করবো তারাও বুঝবে আমিও একজন দেশপ্রেমিক। এবং আমার মতো অনেকেই যারা পুলওয়ামা নিয়ে যুদ্ধ ও রক্ত চাইয়ের বিরুদ্ধে কথা বলছে, তারাও দেশপ্রেমিক।

কেউ দেশদ্রোহী নই আমরা। দেশের প্রতি, দেশের মানুষদের প্রতি, ঐতিহ্য ও ইতিহাসের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা আছে। আমি নিজেকে একজন হিন্দু বলেই মনে করি। আমি ধর্ম ও অধ্যাত্ম মানি। কিন্তু ধর্মের নামে ধর্মান্ধতা, ঘৃণা ও গোঁড়া রক্ষণশীলতার বিরোধী। দেশ ছেড়ে এসে অন্য দেশে থাকলেই বিদেশী হয়ে যায়না। সংঘ পরিবারের হাজার হাজার সদস্য ও সমর্থক আমেরিকা ও ইউরোপে থাকে। তারা কি সবাই বিদেশী?

আমি ইসলামিক সন্ত্রাসকে সন্ত্রাস বলি। সভ্যতার শত্রু বলে চিহ্নিত করি। আমি কম্যুনিজমকে সমর্থন করিনা। আমি কংগ্রেসি রাজনীতিকে চিরকাল ঘৃণা করে এসেছি। অথচ, কংগ্রেসের মধ্যেও আমার বহু কাছের মানুষ ছিল ও আছে। সেরকম বামপন্থী দলগুলোর মধ্যেও আমার খুব কাছের মানুষদের আমি দেখেছি সারাজীবন। তাদের ত্যাগ ও দেশপ্রেমকে আমি শ্রদ্ধা করে এসেছি সারাজীবন।

আমার অনেক বিজেপি ও আর এস এস বন্ধু আছে। তাদের অনেককে আমি চল্লিশ বছর, এমনকি পঞ্চাশ বছর ধরে চিনি। আমি যখন ছ বছর বয়েসের শিশু, তখন ওই শিশু স্বয়মসেবক হিসেবে আর এস এসে ঢুকেছিলাম স্বর্গীয় পিতৃদেব শ্রী জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে। জিতেন্দ্রনাথ ছিলেন সংঘ প্রচারক, এবং অটলবিহারী, আদভানির আজীবন বন্ধু। হিন্দুত্ববাদী নাথুরাম গডসে সাভারকার ইত্যাদি নেতাদের সাহায্যে গান্ধীহত্যা করার পরে যখন আর এস এস নিষিদ্ধ হয়, তখন আমার বাবা তিন বছরের মতো জেলে ছিলেন।

এই জেলে থাকার কারণে বাবা কখনো সরকারি চাকরি পাননি, এবং আমাদের সারাজীবন দারিদ্র্যের মধ্যে কাটাতে হয়েছে। আমার মা নিজে না খেয়ে তার খাবারটা আমাদের অনেক সময়ে দিয়ে দিতো। এবং, খুব কম বয়েসে ক্যানসারে মারা যায়। যাক, সেসব অন্য কথা। অন্য প্রসঙ্গ।

আমাদের বাড়িতে আর এস এসের বিরাট বিরাট সর্বভারতীয় নেতারা আসতেন।ভাউরাও দেওরাস, নানাজী দেশমুখ, একনাথ রাণাডে — এমনকি গুরু গোলওয়ালকার — আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন, এবং স্নেহ করতেন।

আমি ছ বছর বয়েস থেকে বাইশ বছর বয়েস পর্যন্ত আর এস এস করেছি। শিশু স্বয়মসেবক থেকে বালক, তারপর তরুণ, তারপর শিক্ষক, মুখ্যশিক্ষক। তারপর জনসঙ্ঘ দলের হয়ে দিল্লি — জনতা পার্টি তৈরী হওয়ার প্রথম জাতীয় সম্মেলনে। আমাকে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) পশ্চিমবঙ্গ সম্পাদক করা হয়েছিল। আমার অনেক বন্ধু সেসব দিনের কথা জানে। তাদের অনেকে এখন ফেসবুকেও আছে।

অদ্ভুত কথা হলো, তারা তখন আমার জনসঙ্ঘ, আর এস এস, এবিভিপি করা দেখে হাসতো। এখন তারা অনেকে হিন্দুত্ববাদীদের গোঁড়া সমর্থক। আর আমি চিরকালের মতো গোঁড়া হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছি।

কেন বেরিয়ে এলাম? সে অনেক কথা। আদর্শগত কারণেই বেরিয়ে এসেছি। আমি ঘৃণা, হিংসা, যুদ্ধবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করিনা। আমি আমার দুটো বই — ইংরিজি বই In the Belly of the Beast এবং বাংলা স্মৃতিকথা ঘটিকাহিনি’তে বিশদভাবে লিখেছি। পারলে পড়ে নেবেন।

ইংরিজি বইটা আউট অফ প্রিন্ট, কিন্তু কিছু কিছু অংশ পাওয়া যায় অনলাইনে। ঘটিকাহিনি সবে দুবছর আগে বেরিয়েছে। দেজ পাবলিশিং, ধ্যানবিন্দু, এবং প্রকাশক রাবণ প্রকাশনাতে পেয়ে যাবেন।

পড়ুন। প্রশ্ন করুন। চ্যালেঞ্জ করুন আমাকে।

(পর্ব ২ লিখবো। আশা করি আপনাদের জানার উৎসাহ থাকবে।)

Pulwama Massacre, and the Politics of Hate

We unequivocally condemn the Pulwama terror. And we also condemn the new war drumbeat, and politics of hate and violence.

PULWAMA TERROR, AND POLITICS OF VIOLENCE
By Partha Banerjee


Terrorism is terrorism. Islamist terrorism is a vile enemy of mankind. I will shed a tear for the fallen soldiers — martyrs of Pulwama. I will stand beside their families.

I am no less a patriot: in fact, I am more patriotic than many of you out there. And it doesn’t matter where I live: in earth, heaven, or hell.

I am not a communist. I am not a Congress Party member, not a Maoist, and never a BJP. I had been in RSS for long, and left it for good. After leaving it, I’ve become a better Hindu, Indian and Bengali. And a much better global citizen.

With age, all the lies and politics of hate and violence have become clearer to me.

I’ll make certain things very clear.

Mainstream media won’t speak against the new war drumbeat. They won’t take a stand against divisive politics. None will protest against the bloodthirsty and jingoist Hindu jihadis. That will take a toll on their ratings and revenues.

Congress Party, like the American Democrats, will assume a soft war-patriotism position. Elite liberals will stay silent — as nothing ever affects them. My clever friends from the left have already started demanding a new “blood for blood, eye for an eye.” Brainwashing made them brainless too.

A terrorist attack would certainly benefit the people in power. More so if it is from Pakistan, or Kashmir. It can be assumed that terrorists’ murder of forty-plus Indian army men just before the elections guarantees victory for the ruling party; they will then act according to their whims.

And those who hum a different tune will be excommunicated, either physically or mentally. They will be jailed and fined and trolled and hacked.

They’ll be called anti-nationals. Friends, family and society will alienate them.

No investigations will be done. No questions will be asked. No one will face any interrogation on the causes and lapses — deliberate or not — behind the brutal terrorist massacre.

No one will ask how terrorists killed more than forty armed military men out of existence in a place like Kashmir, where not even a fly enters unseen. We won’t be eager to question, because we are now angry. We want “not peace, but war.” Our minds are now full of knee-jerk hate. We can’t think.

Similarly, we never asked how a few years ago, the Mumbai Taj secured by the black cat commandos was infiltrated by machine guns. How terrorists got in there. Just the same way no Americans ever asked how the 9/11 terrorists went past four airports with watertight security in place. If you ask, you’ll be branded anti-national by the government, politicians, and their media. Prison owners would be elated. Your own people will view you as a green-eyed monster.

No one has asked: why, from 1947 to 2019, has the Kashmir issue not been dealt with and resolved. Why the USA and the CIA have used India and Pakistan as puppets, with Kashmir as an ace up their sleeve? A trump card!

No one asks about the poverty-stricken, hapless, ignored Kashmiris. Corporate media branded them as terrorists, and that kept us “happily informed.”

Terrorism and terrorists are born and raised out of poverty and desperation. Blind fanatics arm them and wash their brains with religious and jingoist doctrines. And then they either target the innocent or slaughter soldiers.

The traders of war then add more fire to the flames by spewing even more hatred and animosity. Not forty but four hundred, four thousand, or even forty thousand innocent men, women and children are then bombed and machine gunned by the venomous flames of war. Many lose their limbs, eyes, nose and what not, yet they live on.

But guess what, that terror is never called terror! It becomes nationalism, patriotism, defense, and just revenge.

Nobody raises any questions about it. In case of India, those who once killed Gandhi are branded as Gandhian nationalists. People still line up to vote for them.
________________
Nelson Mandela once said, “Real leaders must be ready to sacrifice all for the freedom of their people.” Our big political leaders never go to war, they watch from afar. It’s always the starving pawns sacrificed at the altar of war.

পুলওয়ামা – Pulwama Terror!

Bengali article on the terrorism and tragedy, and ensuing knee-jerk reaction, followed by war drumbeat. Here’s the analysis big media won’t dare to do. They are afraid of losing their ratings and profit. We aren’t.

সন্ত্রাসকে সন্ত্রাস বলবো। ইসলামী সন্ত্রাসকে মানবসভ্যতার ভয়ংকর শত্রু বলে চিহ্নিত করবো। পুলওয়ামার শহীদ সেনাদের জন্যে চোখের জল ফেলবো। তাঁদের পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়াবো। দেশপ্রেম আমারও কম নয়। আপনাদের অনেকের থেকে বেশি। সে আমি যেখানেই থাকিনা কেন। স্বর্গে, নরকে, বা পৃথিবীতে।



আমি কমিউনিস্ট নই। কংগ্রেসি নই। মাওবাদী নই। বিজেপি একেবারেই নই। জঙ্গি হিন্দুবাদী আর এস এস — ছিলাম বহুকাল। ছেড়ে দিয়ে চলে এসেছি। ছেড়ে দিয়ে আসার পরে অনেক বেশি হিন্দু, ভারতীয় আর বাঙালি হয়েছি। যত বয়েস বাড়ছে, তত বেশি করে মিথ্যা ও বঞ্চনার রাজনীতি, ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতি চোখের সামনে পরিষ্কার হয়ে উঠছে।

কয়েকটা কথা খুব সোজাসুজি বলবো।

কোনো মিডিয়া যুদ্ধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেনা। কোনো মিডিয়া ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেনা। কোনো মিডিয়া এই অন্ধ দেশপ্রেম নামক হাঁটুঝাঁকানি রগরগে “রক্ত চাই” হিন্দু জিহাদের বিরুদ্ধে জোরগলায় প্রতিবাদ জানাবেনা। তাদের রেটিং পড়ে যাবে। মুনাফার ক্ষতি হবে মারাত্মক।

কংগ্রেস ঠিক এই আমেরিকার ডেমোক্রেটিক পার্টির মতোই সফ্ট যুদ্ধবাদিতার রাস্তা নেবে। এলিট লিবারালরা চুপ করে থাকবে — কারণ কোনো আঁচই তাদের গায়ে লাগেনা। আমার বেশ কিছু বুদ্ধিমান লেফটি বন্ধু এখনই রক্তের বদলে রক্ত চাই খেলায় নেমে পড়েছে। মগজ শুধু বোকাদের ধোলাই হয়নি। বামপন্থীদেরও হয়েছে।

সন্ত্রাসী হামলা হলে শাসকশ্রেণীর খুব সুবিধে। তার ওপর যদি আবার পাকিস্তানের দিক থেকে আসে। কাশ্মীরের দিক থেকে আসে। ভোটের ঠিক তিন মাস আগে চল্লিশজন জওয়ান খুন হলে মোটামুটিভাবে বলে দেওয়া যায়, ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় থাকবে। এবং তারপরে যা খুশি তাই করবে। যারা বেসুরে গাইবে, তাদের হয় শারীরিকভাবে, নয়তো মানসিকভাবে নির্যাতন করা হবে। জেল, জরিমানা, কিংবা ট্রোল শিকার হবে তারা। হ্যাকিং হবে।

দেশদ্রোহী আখ্যা দেওয়া হবে তাদের। এবং তাদের নিজেদের পরিবার, সমাজ ও বন্ধুরাই তাকে ত্যাগ করে চলে যাবে।

কোনো তদন্ত হবেনা। কোনো প্রশ্ন উঠবেনা। কোনো চ্যালেঞ্জ কারুকে মোকাবিলা করতে হবেনা।

কখনো জিজ্ঞেস করা হবেনা, যে কাশ্মীরে ভীষণ নিরাপত্তার ঘেরাটোপ, যেখানে মাছিও গলেনা, সেখানে কীভাবে সন্ত্রাসীরা চল্লিশজন অস্ত্রধারী সৈনিককে হত্যা করে চলে যায়। আমরা জানতে চাইবোনা। কারণ, আমরা এখন ক্রুদ্ধ। আমরা এখন “শান্তি চাইনা, যুদ্ধ চাই।”

ঠিক যেমন আমরা কখনো জিজ্ঞেস করিনি, মুম্বাই ব্ল্যাক ক্যাট সিকিউরিটির তাজ হোটেলে সন্ত্রাসীরা কীভাবে মেশিন গান নিয়ে ঢুকতে পেরেছিলো। ঠিক যেমন এই আমেরিকায় কেউ জিজ্ঞেস করেনি, চার চারটে এয়ারপোর্টের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এড়িয়ে কীভাবে ৯/১১ সন্ত্রাসীরা গলে ঢুকেছিলো। জিজ্ঞেস করলে আপনাকে দেশদ্রোহী বলা হবে। সরকার বলবে, মিডিয়া বলবে, প্রিজন কর্পোরেশনের মালিকরা উল্লসিত হবে, এবং আপনার নিজের লোকেরাই আপনাকে কুষ্ঠরোগীর মতো দেখবে।

কখনো জিজ্ঞেস করা হবেনা, ১৯৪৭ থেকে এই ২০১৯ — এতগুলো বছরেও কেন কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা হলোনা। কেন ভারত ও পাকিস্তান এবং তাদের পিছনে পুতুলনাচের কারিগর আমেরিকা ও সি আই এ — কাশ্মীরকে ঠিক রাজনৈতিক ব্রিজ খেলার তুরুপের তাসের মতো ব্যবহার করে এসেছে। ঠিক যেমন মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল ও আমেরিকা প্যালেস্টাইনকে আর এক আশ্চর্য শক্তিশালী তুরুপের তাসের মতো হাতের তেলোয় লুকিয়ে রেখেছে, এবং যখন খুশি ব্যবহার করেছে।

কেউ জিজ্ঞেস করবেনা, কেন কাশ্মীর ও প্যালেস্টাইনে মানুষ এতো গরিব। এতো অসহায়। এতো বঞ্চিত। শোষিত কথাটা ব্যবহার করলামনা, কারণ কমিউনিস্টরা কথাটাকে একেবারে চিবিয়ে ছিবড়ে করে দিয়েছে। ও কথাটার আসল মানে আর কেউ বোঝেনা।

সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীরা ভীষণ দারিদ্র্য থেকেই রক্তবীজের মতো জন্মায়, বড় হয়। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয় ধর্মান্ধরা। তাদের মগজ ধোলাই করে ধর্মের নামে, দেশপ্রেমের নামে। তারপরে সেই সন্ত্রাসীরা হয় নিরীহ মানুষদের, শিশুদের, নারীদের, আর নয়তো পুলওয়ামার জওয়ানদের মতো টার্গেট খুঁজে বের করে।

তারপরে, ঘৃণা, হিংসা ও যুদ্ধের ব্যবসায়ীরা সে সন্ত্রাসকে কাজে লাগিয়ে আরো অনেক বেশি সন্ত্রাস শুরু করে। তখন চল্লিশজন নয়, চারশো জন, চার হাজার জন, চল্লিশ হাজার জন নিরীহ মানুষ — পুরুষ, নারী ও শিশু শেষ হয়ে যায়। অনেকে হাত পা চোখ নাক পেট হারিয়ে বাকি জীবন কাটায়।

কিন্তু তখন সে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসকে সন্ত্রাস বলা হয়না। বলা হয় দেশপ্রেম। প্রতিরক্ষা। প্রতিশোধ।

তখনও কেউ কোনো প্রশ্ন করেনা। যারা গান্ধীকে মেরেছিলো, তারা গান্ধীবাদী দেশপ্রেমিক আখ্যা পায়। মানুষ তাদের আবার ভোট দেয় লাইনে দাঁড়িয়ে। 
________________________

নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছিলেন, “Real leaders must be ready to sacrifice all for the freedom of their people” — প্রকৃত নেতারা তাদের মানুষের স্বাধীনতার জন্যে যেন সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকে। হাল্লা রাজার মন্ত্রী যুদ্ধে যায়নি। দূর থেকে দেখেছিলো। তার সঙ্গে ছিল অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ব্ল্যাক ম্যাজিশিয়ান। আর খেতে না পাওয়া সৈন্যরা গিয়েছিলো যুদ্ধে।

সে অন্যায় যুদ্ধ বন্ধ করেছিল দুই সাধারণ মানুষ।

______________________________________________

ব্রুকলিন, নিউ ইয়র্ক
১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

Old RSS: Anti-Gandhi, Anti-Tagore. New BJP: Corrupt, Violent, and Dangerous.

RSS and BJP, India’s Hindu fundamentalist organizations, have transformed for old day’s racist but dedicated and naive to racist and corrupt and violent. They will destroy India and its social and economic fabric.

RSS Kolkata

This is what I have seen in my long, personal association, and study, of India’s Hindu chauvinist forces. RSS — the mentor, umbrella organization. BJP — its political wing now in the seat of power. ABVP, VHP, etc. — other powerful RSS outfits.

Pratik Ghosh translated the following from my Bengali article I posted in Facebook.

I have always found RSS, BJP and ABVP supporters to be of lower aptitude. Not much to talk home about their knowledge, thinking ability or analytical skills. They can be aptly called headstrong.

Like, my father used to say, they were not just anti-Gandhi but also anti-Tagore. My father despite having a golden opportunity refused to meet Rabindranath Tagore in Benaras. Now he regrets. What can be done regretting now – it is too late. At his young age, my father was just like that. In the fifties he moved to Kolkata and started reading Tagore.

But his Tagore was confined to Shivaji Utsab (Celebrating Shivaji – a Maratha icon), Bandi Vir (An Imprisoned Hero – a Sikh guru) and songs from the poet’s Devotion and Patriotic bouquets. Like the way hardliner Muslims from Bangladesh and Pakistan abuse Tagore without reading his works. They haven’t read Tagore’s Wife’s Letter, The Laboratory, The Crisis of the Civilization, or The Petrified Place. They have not heard his speeches, read his essays, letters, or his missive from Russia. They know a tiny sliver, a fragmented Tagore. And with that utterly limited knowledge they judge the Master Poet.

Yet during my intense association of some sixteen years with RSS-Jan Sangh-BJP-ABVP I always noticed that despite not being very clever, they were genuine human beings. I saw my father Jitendranath. How selflessly he spent his entire life with the Sangh family! In return he asked for nothing. Had he asked, he could have gotten a lot. Since 1939 he had been with national RSS/BJP leaders like Advani and Vajpayee. He too was jailed at the aftermath of assassination of Gandhi [when a Hindu zealot Nathuram Godse killed Gandhi, and the organization was banned]. Subsequently, being on the Congress blacklist he couldn’t get a proper job and spent his life in poverty.

I have written about these in my Bengali memoir, “Ghoti-kahini”. I have seen with amazement how for years the RSS proselytizers worked half fed from their third floor office at 26 Bidhan Sarani. They were racists, anti-Islam, anti-Christian. They depicted a laughable history of India. They knew hardly anything about the world history. They were awfully anti-socialism. Yet, they were nice guys. Like affectionate elder brothers. Even after I left RSS, I could never forget these men.

But now I see with the smell of power, BJP is filled with evil degraded men. Blood in their eyes. Poison at their tongues. Killing machines at their hands. I feel sad seeing them because they haven’t seen people like my father. They haven’t seen how to sacrifice life at the altar of idealism.

I have also seen at the other end how for the sake of idealism the followers of Communist Party of India (Marxist) or Marxism sacrificing their lives. I remember how my CPIM following in-laws’ family didn’t get on with my father. There was never any political discussions between them but there was a mutual respect. The Bengali characteristic of respect, civility, modesty and love is no longer found among the BJP supporters in Bengal. A few good ones keep shut for the fear of the obscene mayhem the rest can unleash upon them. They don’t have the backbones to withstand it.

I have been in politics for long. Politics of getting thrashed on the road. Politics of putting my own life at risk. I have done that in India. In the U.S. as well. Those who know me, know it. Those who don’t, can check it out on my Wikipedia page. The perpetrators of these atrocities are that foolish that they don’t even realize that they are only revealing their true self to the society. People with brains know that civility, gentleness are humane quality. Possessors of a sub-human brain have no understanding of that. Ironically, those without a brain, don’t realize that they don’t have brains because they need brains to understand it.

Anyway, there is no place for communal violence and slander in Bengal. Not for the Hindus. Not for the Muslims. Neither for CPIM, nor for the Trinamool Congress, now in power of West Bengal. And I shall carry on with my mission. My mission of making people think differently. To teach how to think. I am trying to steer away people from the brainwashing by the media. Steering my students in the US, people in India, in Bengal.

I have always been by the side of the oppressed. By the side of women, men, and children. I will always write against injustice, dishonesty, corruption and thuggery. I will protest — BJP or whoever the perpetrators might be.

Violence, intimidation, coercion or dirty abuses cannot bottle me up.

Sincerely,

Partha Banerjee

Brooklyn, New York

###

gandhi-indian-express

From: Indian Express.

9/11 Tribute: Build A Peace Center at Ground Zero

Image

I remember 9/11. I pay my tribute to the fallen.

I remember the terror. I remember the tragedies. I remember the hopelessness we saw that day. I remember how politicians and powerful Americans nakedly exploited the tragedy, and unleashed global violence.

I also remember the togetherness and resilience ordinary Americans showed that day. On that day, I renewed my hope for a different, forward-looking, peace-loving America.

I renew my call today to help build peace. I renew my call today to build an all-faith peace center at Ground Zero.

Here’s my personal 9/11 story.

On September 11, 2001, my daughter was on her fourth day at Stuyvesant High School, just a couple of blocks off the World Trade Center. She took the subway to Chambers Street station and walked from there, just the way she did it the days before. But it was anything but an ordinary day.

Image

She saw the terror and hurt up close. She saw the towers going up in flames. She saw innocent people jumping off to death in panic and desperation. She then saw the towers crumbling.

My wife and I lost touch with her for the entire day. Then, finally, at ten at night she came back home — exhausted, and completely covered with ashes and dust and free-floating asbestos off the towers. We’ll live for the rest of our lives with fear that she might get some horrible disease from it. 

To recap, under political pressure from then New York City and federal governments and a few influential parents, Stuyvesant reopened the school in a couple of weeks when the fire was still raging, and all other places except for Wall Street were closed due to health and safety reasons. For the next couple of years, we — a section of the school parents — staged protests on the street, demanding health and safety information for our children — with little success. Nobody paid attention. 

Image

The attacks on 9/11 were all too real for us. So I deeply understand why people want Ground Zero to be respected. I share that sentiment.

Finally, a word of wisdom that comes from reality. During the hateful, scary days after 9/11 when some of us were working on the ground attempting to save lives and dignity with our simple and inadequate resources, we often asked a question: “God forbid, what if there’s a second 9/11? Are we ready to prevent another series of assault and insult against the poor and vulnerable — many Muslims included?”

I want to revisit that question now.

So, what if there’s really a similar catastrophe on our soil — New York, Los Angeles, Chicago, or elsewhere? And God forbid, if that happens, is our still-divided, still-trustless society going to help save lives and dignity of the poor and vulnerable — many Muslims included? Is a mosque or Islamic center at Ground Zero going to wish away hate and violence on the unfortunate, near and far from it? Or, is it going to close down, for the fear of being another target, just the way a targeted group of people would desperately seek hide-outs?

This is not my America. This is not my daughter’s America.

Image

What if we put our energy instead to build an all-faith, peace center on that sacred ground, where all Americans would be able to come and pray for global peace, inclusion, understanding and tolerance in America, and denounce hate and violence of any kind? That may not save lives lost in another hate crime. That may not save a poor Muslim or Sikh woman’s dignity violated by ignorant, hateful goons. 

But wouldn’t an all-inclusive peace center be a perfect tribute to the thousands of innocent lives we lost on that calamitous day of September 11, 2001? It would also be a poignant mirror of the lives lost, representing a panoply of faiths and belief systems. 

Come to think of it, that would be exemplary: The world would follow us again — this time, on peace, rejecting hate, violence and war.

In Honor for the Peace-loving American People,

Partha

Brooklyn, New York

###

P.S. –– All the photos above are taken from Siliconeer, a California-based South Asian magazine. The Progressive, noted American publication, also published an article I wrote on this subject. I’m sharing the links here.

http://www.siliconeer.com/past_issues/2010/september-2010/sep10-coverstory-GroundZero-AnAllFaithCenter.html

http://progressive.org/mpbanerjee082410.html